| শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট


পদ্মা নদীর অব্যাহত ভাঙন থেকে রাজশাহীর চারঘাট ও বাঘা উপজেলার জনপদ রক্ষায় অবশেষে শুরু হলো জরুরি প্রতিরক্ষা কাজ। রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আবু সাইদ চাঁদের বিশেষ তৎপরতা এবং পানি সম্পদ মন্ত্রীর কাছে ডিও পত্র দেওয়ার প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আজ ১৩ জুন (শনিবার) বাঘা উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল চকরাজাপুর ইউনিয়নে নদী ভাঙন ঠেকাতে ১৮০ ফিট এলাকায় জিআই ব্যাগ ও বালুর বস্তা ফেলার কাজের শুভ উদ্বোধন ও স্থান নির্ধারণ করা হয়।
কাজটির উদ্বোধন ও পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রবীর কুমার গোস্বামী
তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, রাজশাহী পানি উন্নয়ন সার্কেল রাজশাহী, মোঃ আরিফুর রহমান অঙ্কুর,নির্বাহী প্রকৌশলী রাজশাহী, জগলু সিকদার, সাধারণ সম্পাদক, চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপি
,শফিকুল ইসলাম, সভাপতি, চকরাজাপুর ইউনিয়ন যুবদল সহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এর আগে গত ০২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের লেটারহেডে পানি সম্পদ মন্ত্রী বরাবর একটি জরুরি চিঠি পাঠান স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ আবু সাইদ চাঁদ। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অন্যতম বৃহত্তম জলধারা পদ্মা নদী প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ পলি বহন করে। এর ফলে নদী অববাহিকায় অস্থায়ী চরের সৃষ্টি হয়, যা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে নদীপাড়ের এলাকায় ভাঙন প্রবণতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
চারঘাট ও বাঘা উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিবছরই নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। জনদুর্ভোগ লাঘবে এবং সরকারি-বেসরকারি সম্পদ রক্ষায় আগামী বন্যার আগেই ভাঙনকবলিত এলাকায় স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ ও আইরিং নির্মাণ করা জরুরি।
সংসদ সদস্যের চিঠিতে চারঘাট ও বাঘা উপজেলার বেশ কিছু অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী সরকারি-বেসরকারি স্থাপনার কথা উল্লেখ করা হয়, যা বর্তমানে তীব্র ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে, চারঘাট পৌরসভার মধ্য রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (সারদা) ও গোপালপুর, পিরোজপুর,সাহাপুর ও টাসন।
বাঘা উপজেলার মধ্যে চকরাজাপুর ও গড়গড়ি ইউনিয়নের চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন, বসতবাড়ি, পাকা রাস্তা, স্থানীয় বাজার, বিদ্যুৎ লাইন, মসজিদ, শত শত একরের আমবাগান ও ফসলি জমি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুমের আগেই ভাঙন রোধে জিআই ব্যাগ ও বস্তা ফেলার এই জরুরি কাজ শুরু হওয়ায় তারা কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন। তবে চারঘাট-বাঘার স্থায়ী সুরক্ষার জন্য দ্রুততম সময়ে স্থায়ী ও টেকসই প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভাঙন কবলিত অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোও নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
Posted ৯:৫৫ এএম | শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
www.pathokkantho.com | admin2
(164 বার পঠিত)
(163 বার পঠিত)
(153 বার পঠিত)
(149 বার পঠিত)
(140 বার পঠিত)
(137 বার পঠিত)
(133 বার পঠিত)