আইন- আদালত
আইন- আদালত >>

মে মাসের বজ্রপাত নিয়ে জরুরি সতর্কবার্তা

  |   সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ | প্রিন্ট

মে মাসের বজ্রপাত নিয়ে জরুরি সতর্কবার্তা

 

দেশে প্রতিবছর বজ্রপাতের ৩৮ শতাংশ মার্চ-মে মাসে এবং জুন-সেপ্টেম্বর মাসে ৫১ শতাংশ বজ্রপাত সংঘটিত হয়ে থাকে। কিন্তু অন্য মাসের তুলনায় মে মাসে ঘটা বজ্রপাতগুলোর তাণ্ডব ও ভয়াবহতা বেশি। বজ্রপাতের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মাস।

 

এমনিতে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বজ্রপাত বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

তাই শুধু সতর্কবার্তা দিলেই হবে না বরং বজ্রপাতের আগে, চলাকালীন এবং পরে সাধারণ মানুষের করণীয় সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে। বজ্রপাতের শব্দ শুরু হলে যতদ্রুত সম্ভব ঘরে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ।

আজ সোমবার রাজধানী ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে বজ্রপাত প্রস্তুতি ও ঝুঁকি হ্রাস’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় এসব পরামর্শ উঠে আসে।

 

ব্র্যাক ও আবহাওয়া অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে এ কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মমিনুল ইসলাম।

 

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবু দাউদ মোঃ গোলাম মোস্তাফা, ব্র্যাকের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির পরিচালক লেয়াকত আলী।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবু দাউদ মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, এমন কোনো দূর্যোগ নাই যা বাংলাদেশে নেই। বজ্রপাত আগেও ছিল এখনো আছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে প্রাকৃতিক দূর্যোগ বেড়েছে।

 

বজ্রপাতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয় কৃষকের। এরপর স্কুলের শিক্ষার্থী ও নারীরা। বজ্রপাতে মৃত্যু কমিয়ে আনতে সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মমিনুল ইসলাম বলেন, নিখুঁতভাবে আবহাওয়া অধিদপ্তর পাঁচ দিনের পূর্বাভাস দিতে পারে। কিন্তু সেই অনুযায়ী ‘আর্লি অ্যাকশন’ না হওয়ায় প্রাণহানি ঠেকানো যাচ্ছে না।

 

বজ্রপাতে মৃত্যু শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে আগাম সতর্কবার্তা এবং দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সমন্বয় প্রয়োজন। তাহলে প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এবং মাঠ পর্যায়ের সংস্থার সাথে সমন্বয় করে মৃত্যুহার শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব।

‘বজ্রপাত, বজ্রপাত ও বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক।

 

আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, মে মাসে ঘটা বজ্রপাতগুলোর তাণ্ডব ও ভয়াবহতা বেশি। এ মাসের বজ্রঝড়গুলো তীব্র কালবৈশাখীর রূপ নেয়। যখনই বজ্রধ্বনি শুরু হবে হবে সাথে সাথে ঘরে চলে আসতে হবে। মৃতুহার কমাতে সচেতনতার বিকল্প নেই।

 

প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালক এস এম কামরুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবহাওয়াবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাতিমা আক্তার, বুয়েট সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপক ড. তানভীর মঞ্জুর, সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিপিআরডি) প্রধান নির্বাহী মোঃ শামসুদ্দোহা।

 

কর্মশালায় বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবেলায় হাওর ও বজ্রপাতপ্রবণ বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন ব্র্যাক, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল, রিজিওনাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টিহ্যাজার্ড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমের (আরআইএমইএস) প্রতিনিধিরা।

Posted ৫:০৩ পিএম | সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

www.pathokkantho.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Publisher
প্রধান উপদেষ্টা: শেখ শাহীন হোসেন, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি (NPS) মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ। উপদেষ্টা: এ্যাড: ড. ওহিদুল রহমান (আইনজীবী )। প্রকাশক ও সম্পাদক : আশিষ সাহা , মফস্বল সম্পাদক: জাহিদুল ইসলাম, সহকারী সম্পাদক: আলাউদ্দিন মন্ডল, নির্বাহী সম্পাদক: বিধান কুমার সরকার, বার্তা সম্পাদক: বাঁধন সরকার।
Office Address

কর্পোরেট অফিস ঠিকানা:৫৫/বি পুরানা পল্টন নোয়াখালী টাওয়ার লিফট ১৪ রুম নং সি/এ, ঢাকা ১০০০ ই-মেইল dailypathokkantho@gmail.com অফিস ফোন +8809638278137