| রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট


“কোথাও আকাশ ছুঁয়ে স্বপ্ন দেখো… আর কোথাও মাটির গভীরে নেমে প্রকৃতির বিশালতা অনুভব করো।”—এই সুগভীর জীবনদর্শনকে পাথেয় করে সাংবাদিকতার কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং পথে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন মোহপুর উপজেলার গর্বিত সন্তান, উদীয়মান সাংবাদিক মোঃ শাহিন সাগর। পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাহসিকতা, মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং নিজস্ব জীবনশৈলীতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।
পেশাগত উত্থান ও সংগ্রাম:
মোহপুরের গ্রামীণ পটভূমি থেকে উঠে আসা শাহিন সাগরের সাংবাদিকতা জীবনের পথচলা মসৃণ ছিল না। সততা, বস্তুনিষ্ঠতা এবং সংবাদের পেছনের সত্য তুলে আনার অদম্য ইচ্ছাই তাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ খবর—সবক্ষেত্রেই তার অনবদ্য উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কলম এবং সমাজ পরিবর্তনের সদিচ্ছাই তার ক্যারিয়ারের মূল চালিকাশক্তি।
মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আন্তরিকতা:
শাহিন সাগর শুধু একজন কলমযোদ্ধাই নন, তিনি একজন হৃদয়বান মানুষ। স্থানীয়দের মতে, পেশাগত পরিচয়ের বাইরেও তিনি সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকেন। যেকোনো বিপদে-আপদে তিনি তার আন্তরিকতা ও ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিতে দ্বিধা করেন না। এলাকার তরুণদের প্রেরণার উৎস হিসেবে তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছেন অত্যন্ত নম্র ও মার্জিত আচরণের মাধ্যমে।
অনন্য জীবনশৈলী ও ‘সালাফি’ চেতনা:
শাহিন সাগরের ব্যক্তিগত জীবনের অন্যতম দিক হলো তার সাদামাটা ও সুশৃঙ্খল জীবনযাপন (সালাফি জীবনধারা)। তার পোশাক-আশাক, কথাবার্তা এবং আচার-আচরণে আভিজাত্যের অহংকার নেই; বরং রয়েছে এক গভীর পবিত্রতা ও মাটির কাছাকাছি থাকার মানসিকতা। একদিকে আধুনিক সাংবাদিকতার দক্ষতা, অন্যদিকে ইসলামিক মূল্যবোধ ও সালাফি চেতনার মাধ্যমে নিজের চরিত্রকে সততার ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখা—এই দুইয়ের সমন্বয় তার ব্যক্তিত্বকে করে তুলেছে আকর্ষণীয় ও সর্বজন শ্রদ্ধেয়।
আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন ও মাটির সান্নিধ্য:
শাহিন সাগরের জীবনদর্শন তার নিজস্ব কথার মতোই—তিনি একদিকে সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় নতুন নতুন উচ্চতা স্পর্শ করার স্বপ্ন দেখেন, অন্যদিকে সবসময় শিকড় বা মাটির কাছাকাছি থাকতে ভালোবাসেন। প্রকৃতির বিশালতা আর সাধারণ মানুষের সরলতা তাকে গভীরভাবে স্পর্শ করে। অহংকারকে দূরে ঠেলে মাটির গভীরে নেমে মানুষের সেবা করাই তার মূল ব্রত।
মোহপুর উপজেলার এই গর্বিত সন্তান কেবল সংবাদের পেছনেই ছোটেন না, তিনি তার শুভচিন্তা, নীতি-নৈতিকতা ও অকৃত্রিম ভালোবাসা দিয়ে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। স্থানীয় সচেতন মহল ও সর্বস্তরের মানুষ তার উত্তরোত্তর সাফল্য, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করছেন।
Posted ৯:১৯ এএম | রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
www.pathokkantho.com | admin2