| মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬ | প্রিন্ট


কয়েক দিন ধরেই বৃষ্টি হচ্ছে; নদীর পানিও বাড়তেছে। আর ১০-১২ দিন সময় পাইলে ধান ভালো হইতো। এখন হাঁটুপানি। আর দুই দিন বৃষ্টি হইলে সব তলাইয়া যাইবো।
তাই আগেই কাটতেছি।’
কথাগুলো বলছিলেন রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের চর জয়রামওঝা এলাকার কৃষক আব্দুল মালেক। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে সদর ইউনিয়নের ভুটকা এলাকায় কোমর পানিতে নেমে ওই এলাকায় নিজের কৃষিজমি থেকে ডুবে যাওয়া ধান কাটছিলেন তিনি।
কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতে রংপুরের গঙ্গাচড়ার নিম্নাঞ্চলের বোরো ধান তলিয়ে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।
মৌসুমের একেবারে শেষ সময়ে এমন পরিস্থিতিতে পাকা ধান ঘরে তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে পানিতে নেমেই ধান কাটছেন, যাতে অন্তত কিছু ফসল রক্ষা করা যায়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১১ হাজার ১৮১ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার কোলকোন্দ, মর্ণেয়া, গঙ্গাচড়া, লক্ষ্মীটারী, গজঘণ্টা, বড়বিল, আলমবিদির ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধানের ক্ষেতে হাঁটুসমান পানি।
কোনো কোনো জমিতে পানি কোমর পর্যন্ত। বছরের অন্যতম প্রধান ফসল রক্ষায় কৃষকরা এখন পানিতে দাঁড়িয়েই ধান কাটছেন। এতে সময় যেমন বেশি লাগছে, তেমনি বাড়ছে খরচ ও পরিশ্রম।
একই এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, পানির কারণে অপরিপক্ব ধান কাটতে হচ্ছে। তার ওপর পানিতে কাজ করায় শ্রমিকের মজুরিও বেশি।
ঠিকমতো ঘরে তুলতে না পারলে লোকসান হবে।
সদর ইউনিয়নের ভুটকা গ্রামের কৃষক মজিবর রহমান বলেন, আগাম বৃষ্টির কারণে বাধ্য হয়েই পানিতে নেমে ধান কাটতেছি। না কাটলে সব নষ্ট হইয়া যাইবো।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেন বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে চরাঞ্চলের নিচু জমিতে পানি জমেছে। তবে এখন আবহাওয়া ভালো হচ্ছে। পানি নেমে যাবে। কৃষকদের দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
Posted ১:৩২ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
www.pathokkantho.com | admin
(67 বার পঠিত)
(60 বার পঠিত)
(57 বার পঠিত)
(56 বার পঠিত)
(54 বার পঠিত)
(53 বার পঠিত)
(51 বার পঠিত)