
রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টোর রুমে আগুন ও ল্যাপটপসহ মালপত্র চুরির ঘটনায় করা মামলায় অধিদপ্তরের গবেষণা কর্মকর্তা ও স্টোর ইনচার্জ জিয়াদ আলী বিশ্বাসসহ তিনজনকে ৪ দিন করে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
রবিবার (৩ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে পাঠানো অপর দুই আসামি হলেন স্টোর কিপার (মাস্টার রোল) হুমায়ুন কবির খান ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর শহিদ হোসাইন।
এর আগে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
এদিকে, একই মামলায় পরিচ্ছন্ন কর্মী আসমাউল ইসলাম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১ মে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মিরপুর-২ এর নতুন ভবনের ২য় তলার স্টোর রুমে আগুন লাগে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের টিম ১৫-২০ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরবর্তীতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ১ মে অজ্ঞাত পাঁচজন ব্যক্তি কৌশলে তালা ভেঙে স্টোর রুমে প্রবেশ করে। এরপর স্টোরে থাকা ৭৩৫টি ল্যাপটপের মধ্যে ৪৫০টি ভালো অবস্থায়, ৩৩টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, ২৯টি অধিক মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত ও ১৪০টি সম্পূর্ণ পোড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। বাকি ৮৩টি ল্যাপটপ পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।